নিজস্ব প্রতিবেদক
————————–
ঢাকা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনে আরএনবি র সিআই সালাউদ্দিন এর নির্দেশে পোস্টিং হাবিলদার জিয়া দিনের পর দিন,গরীব হকারদের সাথে উৎপাত করে আসছে। জিয়াকে বিমানবন্দর স্টেশনে বিভিন্ন অনিয়ম এবং দুর্নীতির কারণে অন্য স্টেশনে বদলি করা হলেও কোন লাভ হয় না পুনরায় উর্দ্ধতন কর্মকর্তাকে রাজি খুশি করেই ঘুষ বাণিজ্যের মাধ্যমে বিমানবন্দর রেলস্টেশনে এসে জয়েন করে।এক যুগের ও অধিক সময় ধরে তিনি এই বিমানবন্দর স্টেশনে চাকরি করছে। স্টেশনের প্লাটফর্মে হকার উচ্ছেদ এবং কার পার্কিংয়ে হকারদের দোকানপাট উচ্ছেদের নামে নাটক সাজিয়ে দিনের পর দিন সিআই সালাউদ্দিনের নির্দেশে কতিপয় রেলওয়ের কিছু দুর্নীতিবাজ সদস্যরা ফুটপাতের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে সুকৌশলে চাঁদা আদায় করে যাচ্ছে । টাকা না দিলে দোকানপাট ভেঙ্গে দেওয়া হয়, ধরে চালান করে দেওয়া হয়, অনেকটা বাংলা সিনেমার ছবির মত , ভিআইপি কোন কর্মকর্তা বিমানবন্দর স্টেশনে আসার কথা থাকলে তাহার এক ঘন্টা আগেই পার্কিং এরিয়া থেকে হকারদের দোকানপাট সরিয়ে ভিডিও করে উপর মহলে পাঠানো হয়। বুঝানো হয় যে পার্কিং এরিয়া সবসময় খালি থাকে। সিআই সালাউদ্দিন এবং হাবিলদার জিয়া হকারদের কাছ থেকে চাঁদা উঠানোর জন্য লাইন ম্যান নিয়োগ দিয়েছে হবি এবং সুজন এরা সমস্ত হকারদের দোকান থেকে টাকা উঠিয়ে হাবিলদার জিয়ার কাছে হস্তান্তর করে। কয়েকদিন আগে লাইনম্যান হবি এবং সুজন চাঁদাবাজির কারণে উত্তরা আর্মি ক্যাম্প কর্তৃক গ্রেপ্তার হয়েছিল। খেয়েছে রাম ধুলাই , ছাড়া পেয়ে পুনরায় হকার দের কাছ থেকে চাঁদা উঠানোর দায়িত্ব পালন করছে। শুধু তাই নয় হকার সুজন বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন পার্কিং এরিয়ায় ওপেনে হ্যান্ড মাইকে প্রচার করে বাকা লিঙ্গ কিভাবে সোজা করা যায় , কিভাবে সেক্স করতে হয় ইত্যাদি ইত্যাদি বলে সেক্সুয়াল ঔষধ বিক্রি করছে যাহা সম্পূর্ণ ভাবে বেআইনি। দেখা যায়, যৌন লীলা , কাম রসের কথা শুনে লজ্জা পেয়ে মা-বোনেরা মুখে ওড়না চেপে ঐ স্থান ত্যাগ করছে , গণমাধ্যম কর্মীরা এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আসলে হকার সুজন তাদেরকে করে লাঞ্ছিত, অপমান এমন ঘটনাও ঘটেছে। প্রতিটি হকারের দোকান থেকে সি আই সালাউদ্দিন পাই ৩০০ টাকা। স্টেশনের বড়বাবু শাহাদত হোসেন পাই ১০০ টাকা। হাবিলদার জিয়া পাই ২০০ টাকা। কার পার্কিংয়ে আনুমানিক ১০০ টির উপরে বিভিন্ন দোকানপাট আছে এবং ভি আইপি ৪/৫ টা দোকান আছে দোকানগুলো পার্কিংয়ের সমস্ত দোকান বন্ধ থাকলেও সেগুলো রাত-দিন ২৪ ঘন্টা খোলা থাকে, তারমধ্যে নুর ইসলামের পরোটার দোকান উসমানের পরোটার দোকান ও তিনটা জুতার দোকান এই পাঁচটা দোকান থেকে সিআই সালাউদ্দিন এবং জিয়া প্রতিদিন প্রতিটি দোকান থেকে নেয় ১৫০০ টাকা করে। বর্তমানে বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন হকার, ছিনতাইকারী, মাদক ব্যবসায়ীর অভয়ারণ্য হয়ে উঠেছে। মাঝেমধ্যেই দেখা যায় পার্কিং এরিয়ায় ভ্রমণ পিয়াসু যাত্রীদের সাথে কেনাকাটা নিয়ে হকারদের সাথে হচ্ছে ধস্তাধস্তি এবং মারামারি, চাঁদার টাকা ভাগা ভাগি নিয়ে বিমানবন্দর স্টেশনে চাকুরীরত সদস্যদের মধ্যে মাঝেমধ্যেই মনোমালিন্যের সৃষ্টি হচ্ছে,যার কারণে কিছু স্টাফ ডিউটিতে সব সময় অমনোযোগী থাকে। বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে বিমানবন্দর স্টেশনে গণমাধ্যম কর্মীরা আসলে তাদেরকে করা হয় লাঞ্চিত। টাকার নেশাই সিআই সালাউদ্দিন এবং জিয়া হকারদের সাথে আঁতাত করেই স্টেশন এরিয়ায় গড়ে তুলেছে বিশাল সিন্ডিকেট। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে সকল সত্য বেরিয়ে আসবে।রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ কি আদো সেটি করবে?