!
শাহীন মির্জা :জুয়েল একজন ওয়েল্ডিং মিস্ত্রি, পিতা মোঃ ফরহাদ একজন ড্রাইভার, জুয়েল২৪ জুলাই যোদ্ধা ফ্যাসিস্ট সরকারকে পতনের জন্য পরাধীনতার শৃংখল ও বৈষম্যের যাতা কল থেকে মুক্তির জন্য উনিশে জুলাই পুলিশ ও ছাত্র জনতার রণক্ষেত্রে জুয়েল প্রথম সারির জুলাই ২৪ যোদ্ধা ছিলেন। জুয়েল প্রথম সারী থেকে উত্তরা হাউজ বিল্ডিংয়ে পুলিশের গুলি খেয়ে ১৩ মাস ধরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শহীদ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে বেডে মানবে তোর জীবন যাপন করছে। ইতিমধ্যে তেরো মাস চিকিৎসা ব্যয় ২৫ লক্ষ টাকা শেষ হয়ে গেছে।মধ্যবিত্ত শনিবারে মধ্যবিত্ত শেষ সম্বল টুকু বিক্রি করে পিতা-মাতা জুয়েলের চিকিৎসা চালাচ্ছেন। উত্তরা শহীদ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে জুয়েল আক্ষেপ করে বলেন কত শ্রেণীর লোক আসে যায় দেখে যায় অনেকে আশ্বাস দেয় ও সান্তনার বাণী দেয় কিন্তু কেউ এখনো কোনো সাহায্য বা অনুদান দেয় নাই যদি কেউ সাহায্যে হাত বাড়ায় তবে আমি বিদেশে চিকিৎসা করাইতাম জুয়েল যে চোখে স্বপ্ন দেখত অনাগত ভবিষ্যতের বাংলাদেশ সেই চোখে আজ চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে গিয়ে চোখে কুয়াশার চাদর পড়েছে। তবু জুয়েলের সান্তনা ফ্যাসিবাদ সরকারকে তো হঠাতে পেরেছি। জুয়েল আশা করেন জুলাই যোদ্ধারা ও প্রধান উপদেষ্টা দেশের বিত্তবানরা তার চিকিৎসার সাহায্যে পাশে দাঁড়াবেন।