মোঃ ফারুক হোসেন
ঢাকা ১৮ আসনে মনোনয়ন প্রাপ্ত বিএনপি নেতা এসএম জাহাঙ্গীর হোসেনের নির্দেশনা অনুযায়ী, তারেক রহমানের আগমনে শুভেচ্ছা , স্বাগতম জানিয়েছে বিমানবন্দর থানা যুবদল। নেতৃত্ব দেন মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক “যুবদল”বিমানবন্দর থানা। নেতা তারেক রহমান সুদীর্ঘ ১৭ বছর ৩ মাস ১৪ দিন পর সহধর্মিনী জোবাইদা রহমান, কন্যা যাইমা রহমান সহ লন্ডন থেকে গত ২৫-১২-২০২৫ ইং তারিখে নিজ মাতৃভূমি বাংলাদেশে ফিরে এসেছেন। আসার পরে লক্ষ কোটি জনতা এই নেতাকে শুভেচ্ছা ও স্বাগতম জানিয়ে ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নিয়েছে। আরেক স্বপ্ন, সংগ্রামী জনগণের প্রত্যাশার প্রতিচ্ছবি, ঢাকা উত্তর মহানগরীর রাজনীতিতে এস এম জাহাঙ্গীর আলম এক পরিচিত ও দৃঢ়চেতা নাম। ধানের শীষের প্রতীক নিয়ে জনগণের মাঝে তার উপস্থিতি শুধু একটি নির্বাচনী লড়াই নয়,বরং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের এক অদম্য সংগ্রামের প্রতিচ্ছবি। তিনি সেই বিরল রাজনীতিবিদদের একজন, যিনি রাজপথ থেকে উঠে এসে সাধারণ মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন, তারুণ্যের দীপ্তি ও আপসহীন নেতৃত্বে
জাহাঙ্গীর আলম কেবল একজন প্রবীণ নেতা নন; তিনি তারুণ্যের তেজ ও অভিজ্ঞতার সমন্বয়। তার বক্তৃতায় থাকে কর্মীদের উজ্জীবিত করার শক্তি, আর তার কর্মে থাকে আপসহীন দৃঢ়তা। প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও তিনি কখনো মাঠ ছাড়েননি। এস এম জাহাঙ্গীর আলম মানেই ঢাকা উত্তরের রাজপথে বিএনপির এক শক্তিশালী কণ্ঠস্বর। হামলা-মামলা বা প্রতিকূলতা কোনো কিছুই তাকে জনগণের দাবি থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি।”
তিনি যেন সেই বটবৃক্ষ, যার ছায়ায় দলের কর্মীরা নিরাপদ অনুভব করে এবং যার নেতৃত্বে বৃহত্তর আন্দোলনে গতি আসে। মাটি ও মানুষের নেতা জাহাঙ্গীর আলমকে ‘মাটি ও মানুষের নেতা’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। বিলাসবহুল জীবন বা ক্ষমতার করিডোর নয়, বরং তিনি বেছে নিয়েছেন সাধারণ মানুষের দুঃখ-কষ্টের সহযাত্রী হওয়া।
জনসংযোগ: তিনি শুধু নির্বাচনের আগে নয়, বছর জুড়েই জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছান।
সংগ্রামী পরিচয়: আন্দোলন-সংগ্রামে তার ত্যাগ সর্বজনীন। তিনি জনগণের অধিকারের প্রশ্নে অসংখ্যবার কারাবরণ করেছেন, কিন্তু সত্যের পথ থেকে সরে আসেননি।
উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি: ঢাকা উত্তরের জলাবদ্ধতা, যানজট, বায়ুদূষণ এবং নাগরিক অধিকারের প্রশ্নে তার সুচিন্তিত পরিকল্পনা রয়েছে। তিনি নগরীকে একটি বাসযোগ্য ও আধুনিক মেগাসিটি হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেন।
🕊️ পরিবর্তনের অঙ্গীকারে ধানের শীষের প্রতীক
এস এম জাহাঙ্গীর আলম বিশ্বাস করেন, ধানের শীষ শুধু একটি প্রতীক নয়— এটি পরিবর্তনের অঙ্গীকার। তিনি যখন নির্বাচনী প্রচারে বের হন, তখন তার চোখে থাকে একটি উন্নত ভবিষ্যতের স্বপ্ন, যেখানে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে এবং মানুষ তার মৌলিক গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরে পাবে।
ঢাকা উত্তরের জনগণ তাকে শুধু একজন প্রার্থী হিসেবে নয়, বরং তাদের হারানো অধিকার ফিরিয়ে আনার সুযোগ হিসেবে দেখছে। তার নেতৃত্বগুণ, দলের প্রতি অবিচল আস্থা এবং জনগণের প্রতি গভীর ভালোবাসা তাকে একজন সফল জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার পথ তৈরি করেছে।
এস এম জাহাঙ্গীর আলম তাই শুধু একটি নাম নয়, তিনি ঢাকা উত্তর মহানগরীর রাজনীতিতে আশা, আস্থা এবং সাহসের এক জ্বলন্ত মশাল। ঢাকা আঠার আসনের সর্বস্তরের জনগণকে ধানের শীষ মার্কা প্রতীকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার অভিমত ব্যক্ত করেছেন।