1. alam9168@gmail.com : Jahangir Alam : Jahangir Alam
  2. mdsharif.hussain7@gmail.com : https://moderntvbd.com/ : https://moderntvbd.com/
  3. sharif.patwary2025@gmail.com : sumi islam : sumi islam
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৮:২২ অপরাহ্ন

এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ দেশজুড়ে রাজনৈতিক হত্যাকান্ড, সহিংসতা, অরাজকতা ও উত্তেজনা পরিস্থিতি বাড়ছে

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৮ Time View

বিশেষ সংবাদদাতা : আসন্ন এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশে পাল্লা দিয়ে
বাড়ছে বিভিন্ন রাজনৈতিক হত্যাকান্ড, সহিংসতা, অরাজকতা ও উত্তেজনা পরিস্থিতির মতো ঘটনা। ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারী রোজ বৃহস্পতিবার এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আগামী নির্বাচন বানচালের উদ্দেশ্যে একটি মহল নতুন করে সহিংসতা ও অরাজকতা পরিস্থিতি তৈরির অপচেষ্টায় লিপ্ত সাম্প্রতিক একাধিক ঘটনা সেই আশঙ্কাকেই জোরালো করছে। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় রাজনৈতিক ও গুপ্তহত্যার ঘটনা উদ্বেগ বাড়িয়েছে। দেশে প্রকাশ্য গুলি করে রাজনৈতিক দলের নেতা হত্যা, একাধিক জায়গায় ককটেল, বোমা বিস্ফোরণ, একাধিক রক্তক্ষয়ী ঘটনা, আইনশৃঙ্খলা নিয়ে শঙ্কা, প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ ওন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলোর পারস্পরিক বিরোধেই শক্তি পাচ্ছে নির্বাচন বানচালের অপচেষ্টা ইত্যাদি। চলতি মাসের গেল বুধবার রাতে রাজধানীর তেজগাঁওয়ের তেজতুরী বাজার এলাকায় প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয় ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজিজুর রহমান মুছাব্বিরকে। এর পরদিন গাজীপুরের মোগরখাল এলাকায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর এক নেতাকে গুলি করে তার মোটরসাইকেল ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। একই দিনে শরীয়তপুরের জাজিরায় ককটেল বিস্ফোরণে এক যুবকের মৃত্যু হয়, যা পুলিশের মতে বোমা তৈরির সময় ঘটতে পারে। এর আগে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদিকে প্রকাশ্য দিবালোকে গুলি করে হত্যার ঘটনাকে ঘিরে দীর্ঘদিন উত্তপ্ত ছিল পরিস্থিতি। ভোটের তফসিল ঘোষণার পরও এ ধরনের সহিংস ঘটনা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে শঙ্কা তৈরি করেছে।

জানা যায়, এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যকার বিরোধও তীব্র হচ্ছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলোর পারস্পরিক অবিশ্বাস ও প্রকাশ্য অভিযোগ নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রকারীদের সুযোগ করে দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে বিগত আওয়ামী লীগ সরকার, বিএনপিকে ঘিরে একাধিক প্রতিদ্বন্দ্বী দলের অভিযোগ, জামায়াত ও এনসিপি প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে। তাদের অভিযোগ—প্রশাসন একটি নির্দিষ্ট দলের প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সহিংসতা, অনৈক্য ও পারস্পরিক দোষারোপ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার পুরোনো কৌশলেরই নতুন সংস্করণ। এই পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও রাজনৈতিক সংযম নিশ্চিত করা না গেলে নির্বাচন ঘিরে সংকট আরও গভীর হতে পারে। জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও সাবেক রাষ্ট্রদূত ড. আনোয়ারউল্লাহ চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, এখানে দু’টি বিষয় আছে। প্রথমত, নির্বাচন বানচালের চেষ্টা তো একটা গোষ্ঠী করছেই। তারাই এসব হত্যাকাণ্ড করছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাচ্ছে। এখানে পরাজিত শক্তির ইন্ধন আছে। তারা নির্বাচন বানচালে সব ধরনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার গণমাধ্যমকে বলেন, এ ধরনের অভিযোগগুলো চাপে রাখার কৌশল হতে পারে। আবার নির্বাচনি কৌশলও হতে পারে। তবে এখানে বড় কথা হচ্ছে- অভিযোগগুলো সুস্পষ্ট তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে হতে হবে। সুনির্দিষ্ট হতে হবে। দ্বিতীয়ত, মূলধারার যেসব রাজনৈতিক দল এখন আছে, যেমন: বিগত আওয়ামী লীগ সরকার, বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপি- তাদের মধ্যে মতবিরোধ কিছু থাকতেই পারে, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় এটা থাকে। আদর্শগত ব্যবধান থাকে। কিন্তু এখানে আমরা যদি নির্বাচন চাই, তাহলে দলগুলোকে ক্ষুদ্র দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। তা না হলে নির্বাচন বানচালে ষড়যন্ত্রকারীরা সুযোগ পাবে।
কারণ, এগুলো যদি ভিত্তিহীন হয় এবং প্রকৃত তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে না হয়, তাহলে সেখানে অবিশ্বাসের সংস্কৃতি গড়ে ওঠে। এ অনৈক্য নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্রকারীদের সুযোগ তৈরি করে দেয়। ফলে আমার মনে হয়, রাজনৈতিক দলগুলোর এখানে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে। এছাড়া অভিযোগ তথ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে হলে সেখানে ব্যবস্থা নেওয়ারও সুযোগ থাকে বলেও মনে করেন বদিউল আলম মজুমদার।

অপরদিকে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ইতিহাস বিষয়ের গবেষক আলতাফ পারভেজ গণমাধ্যমকে বলেন, নির্বাচনে যেসব দল মাঠপর্যায়ে একটু দুর্বল অবস্থায় থাকে, তারা সবলদের বিরুদ্ধে এরকম অভিযোগ তুলে জনগণের সহানুভূতি পেতে চায়। প্রশাসনকেও একটা চাপে রাখে। এ ব্যাপার তো ঐতিহাসিকভাবে আছে। এখানেও হয়তো সেটাই কাজ করছে। ফলে এটা এক ধরনের তৎপরতা। তিনি আরও বলেন, তবে বাংলাদেশে নির্বাচনকে ঘিরে বিপদ একেবারে কেটে গেছে, এরকমও ভাবার কোনো কারণ নেই। এই নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টাও আছে। এটাকে একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। ফলে এখন দিন যত যাবে, প্রশ্নগুলো উঠানোর গভীরতার ওপর বা যারা এগুলা বলছে, তাদের আচরণ বা অন্যান্য কর্মকাণ্ডের ওপর নির্ভর করবে কোনটা কাজ করছে।

এদিকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে আসার পর মিডিয়া, দেশ এবং বিদেশের সব ফোকাস এখন তার দিকে। ফলে বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এর মধ্যে দলটির সঙ্গে আসন সমঝোতার ভাগিদার হতে নতুন করে যোগ দিয়েছে এনসিপি। তবে গত কয়েকদিনে জামায়াতের কয়েকজন শীর্ষ নেতা সরকার এবং নির্বাচন কমিশনকে সরাসরি আক্রমণ করে কথা বলছেন। জাতীয় নির্বাচন যখন দোরগোড়ায় তখন তাদের এ ধরনের বক্তব্য নিয়ে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই বলছেন, এটা সরকার ও নির্বাচন কমিশনকে সরাসরি এবং পরোক্ষভাবে বিএনপিকে চাপে রাখার কৌশল।

গতবুধবার এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের সাংবাদিকদের বলেন, অতীতের মতো আরেকটি পাতানো নির্বাচনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেভাবে একটি দলের দিকে ঝুঁকে পড়েছে; প্রশাসন যেভাবে আনুগত্য দেখাচ্ছে, তাতে অতীতের মতো পাতানো নির্বাচন হতে পারে। এ ধরনের নির্বাচন দেশকে আবারও ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাবে। একইদিন নির্বাচন কমিশনে গিয়ে সারা দেশে মারাত্মকভাবে নির্বাচনের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড লঙ্ঘিত হচ্ছে বলে অভিযোগ করে জামায়াতে ইসলামী। এর আগে রোববার দলটির সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে কিছু রিটার্নিং কর্মকর্তার কর্মকাণ্ডে উদ্বেগ প্রকাশ করে জামায়াত। তাদের দাবি, তথ্য প্রমাণ, কাগজপত্র দাখিল করার পরও আইনের দৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ নয়, এমন বিষয় ধরে উদ্দেশ্যমূলকভাবে প্রার্থিতা বাতিল করে দেওয়া হচ্ছে।

এদিকে প্রশাসন বিএনপির দিকে হেলে পড়েছে, এমন বক্তব্য ছাড়াও বিভিন্ন সময় দলটির বিরুদ্ধে বক্তব্য দিয়ে আসছে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

গত সোমবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে ‘আজাদী পদযাত্রা’র আগে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, আমরা বিভিন্ন জায়গা থেকে তথ্য পাচ্ছি, প্রশাসন একটি দলের দিকে হেলে পড়েছে। সেই দলটি হলো বিএনপি। এছাড়া দলটির আরও একাধিক নেতা বিভিন্ন সময় সভা-সেমিনারে বা সামাজিক মাধ্যমে সরকার, ইসি ও বিএনপির বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলেছে।

জানতে চাইলে এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও নির্বাচনি মিডিয়া উপ-কমিটির প্রধান মাহবুব আলম গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা সুস্পষ্টভাবে আমাদের অভিযোগগুলো করেছি। আমরা দেখতে পাচ্ছি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান, সচিবরা তাদের পার্টি অফিসে গিয়ে দেখা করছেন। প্রশাসনের লোকজন গিয়ে হাজিরা দিচ্ছেন। এগুলো হলে মাঠপর্যায়ে প্রশাসনের মধ্যে ভিন্ন বার্তা যায়। আমরা প্রার্থিতা বাছাই প্রক্রিয়ায় স্পষ্ট দেখলাম প্রশাসন কিভাবে একপাক্ষিক আচরণ করছে।

এদিকে বিএনপি মনে করছে, কোনো কোনো দল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কোনো একটি পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চায়। হঠাৎ করে নির্বাচন কমিশনে গিয়ে প্রমাণ ছাড়া অভিযোগ ও কোনো কোনো নেতার বিএনপির বিরুদ্ধে বক্তব্য দেওয়া এরই অংশ। তবে জণগণ এখন অনেক বেশি সচেতন। তাদের উদ্দেশ্য সম্পর্কে জনগণও বুঝে। দলটির শীর্ষ নেতারা বলছেন, নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র এখনো চলছে। দীর্ঘ বছর ধরে দেশের মানুষ ভোট দিতে পারেনি। তারা ভোট দেওয়ার জন্য উন্মুখ হয়ে আছে। সুতরাং কোনো কথাবার্তায় জনগণ আর বিভ্রান্ত হবে না। তাই কোনো ষড়যন্ত্র করে আর লাভ হবে না। এবারের নির্বাচন হবে ইতিহাসের সবচেয়ে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ। সারা দেশে নির্বাচন নিয়ে এখন উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।

জানতে চাইলে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল সাংবাদিকদের বলেন, কয়েকটি দলের বক্তব্যে নতুন কোনো পরিস্থিতি সৃষ্টির শঙ্কা তো আছেই। মাঝখানে শঙ্কার গতিটা একটু কমে গিয়েছিল, এখন আবার গতিটা বেড়েছে। ডিসি-এসপিরা একটি দলের, পক্ষপাতিত্ব করা হচ্ছে-এই যে অনুমাননির্ভর তথ্য প্রমাণ ছাড়া মুখস্থ আওড়ানো-এটা তো একটা রাজনৈতিক দলের স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য হতে পারে না। যারা নিজেদের দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পাবেন বলে দাবি করেন বা আশা করেন, তাদের কাছ থেকে এই ধরনের বক্তব্য আসা মানে জনগণকে বিভ্রান্ত করে গড়ে তোলা। এর ফলে মনে হচ্ছে- এই তো বোধ হয় আগের আমল আবার ফেরত আসল।

বিএনপির এই শীর্ষ নেতা গণমাধ্যমকে আরো বলেন, কথায় কথায় অভিযোগ করা ঠিক নয়। কথাবার্তা বলার ব্যাপারে তাদের আরও সতর্ক ও সংযত হওয়া উচিত। না হলে তো সাধারণ মানুষের মনে একটা শঙ্কা থেকেই যায়। আর যে হারে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে, মানুষ তো এমনতিই আতঙ্কে আছে। এর মধ্যে যদি আবার রাজনৈতিক আতঙ্ক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ছড়িয়ে দেওয়া হয়, তাহলে মনে করতে হবে নির্বাচন নিয়ে কোনো গভীর ও সুদূরপ্রসারী একটা পরিকল্পনা আছে।

বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ সাংবাদিকদের বলেন, প্রথমদিকে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধসহ বেশ কিছু ইস্যুতে বিএনপির সঙ্গে এনসিপি ও জামায়াতসহ কয়েকটি ইসলামী দলের মতপার্থক্য দেখা দেয়। তবে মাঝখানে কিছুদিন এসব বিরোধের বিষয় সামনে আসেনি। সম্প্রতি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বিএনপি সাত দিনের শোক কর্মসূচি ঘোষণা করে। এরপর শোক বইতে স্বাক্ষরসহ সমবেদনা জানাতে রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, পেশাজীবী সংগঠনসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে আসতে শুরু করে। এ সময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে অনেকের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও সংক্ষিপ্ত বৈঠক হয়েছে। শোকপ্রকাশের বিষয় হলেও প্রকারান্তরে নির্বাচনের মাত্র এক মাস আগে এর রাজনৈতিক গুরুত্ব ছিল অনেক বেশি। এছাড়া অনেকের ধারণা- দেশের বড় দল হিসাবে আসন্ন নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপির সরকার গঠনের সুযোগ ও সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। ফলে ভোটের আগেই বিএনপি এখন সরকার গঠনের পথে থাকা দল হিসাবে মূল্যায়িত হচ্ছে। কিন্তু এরকম আবহ জামায়াত ও এনসিপিসহ এগারোদলীয় জোটের মধ্যে কিছুটা মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি করেছে। এ কারণে এগারো দলীয় জোট ও সরকার এবং বিএনপিকে চাপে রাখার নানাবিধ কৌশল অবলম্বন করছে। এব্যাপারে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেও পরে দেশে এসব নানাবিধ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বন্ধে বর্তমান সরকার ও প্রশাসককে আরো বেশি সচেতন ও তৎপর হওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট মহল ও দেশের সর্বস্তরের জনগণ

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © moderntvbd.com
Theme Customization By Sky Host BD