ক্রাইম রিপোর্টার:- ঘটনাটি ঢাকা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন এক নম্বর প্লাটফর্ম সংলগ্ন। স্টেশনের বড় মাস্টার মোঃ শাহাদাত হোসেনের অফিসে। ক্রাইম অনুসন্ধানী টিমের( ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন অফিসার) আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দুর্নীতি বিরোধী অপরাধ সংস্থা এবং দৈনিক আলোকিত সকাল ( ক্রাইম রিপোর্টার) জনাব মোঃ ফারুক হোসেন যৌথ প্রতিষ্ঠানের যৌথ টিমের সদস্যদের কে নিয়ে দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান চালান ঢাকা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন এবং তাহার আশপাশ এরিয়ায়। তদন্তে বেরিয়ে এসেছে অনেক চাঞ্চল্যকর দুর্নীতির তথ্য। শুধু ঢাকায় নয় , অনুসন্ধান চলমান বাংলাদেশ রেলওয়ের বিভিন্ন থানা ও জেলায় তিনি বলেন ঢাকা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে তদন্ত ও তথ্য সংগ্রহের জন্য গত পহেলা জুলাই ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ দুপুর ২ ঘটিকায় ঢাকা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনে তার আরেক সহকর্মী মোহাম্মদ সুজন হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে স্টেশন মাস্টার মোঃ শাহাদাত হোসেনের রুমে প্রবেশ করেন। মাস্টারকে কয়েকটি অনিয়মের বিষয়ে প্রশ্ন করা হয় এবং এক নম্বর ও দুই নম্বর প্লাটফর্মের ফাস্ট ফুডের দোকানের চুক্তি পত্রের নিয়ম ভঙ্গের কারণ ও ফাস্ট ফুডের দোকানের চুক্তি পত্রের কাগজ দেখতে চাওয়া, দোকানে অবৈধ পন্য ক্রয় বিক্রয় পণ্যের মোড়কের গায়ে যে রেট লেখা আছে তাহার চেয়ে অতিরিক্ত দামে বিক্রি, পয়েস ম্যানদের টিকিট চেকিং এবং বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে তদন্ত ও তথ্য সংগ্রহের জন্য উপস্থিত হয়ে তথ্য চেয়ে প্রশ্ন করলে স্টেশন মাস্টার শাহাদাত হোসেন সঠিক উত্তর প্রদান না করিয়া তার অধীনস্থ ( ১) সহকারী মাস্টার জুয়েল (২) সাদ্দাম পয়েসম্যান (৩) রুবেল টি সি (৪) ইকবাল টি সি (৫) কাশেম পয়েসম্যান (৬) জাহাঙ্গীর পয়েসম্যান (৭) লিটন পয়েসম্যান গং- দের কে ডেকে নিয়ে কক্ষের দরজা বন্ধ করে এলো পাতাড়ি কিল ও ঘুসি মারতে থাকে। তাকে প্রাণনাশের হুমকির মুখে একটি সাদা কাগজে স্বাক্ষর করতে বাধ্য করে। সাদা কাগজে লিখেছে তিনি যেন স্টেশন মাস্টারের স্টাফদের কাছে কোন চাঁদা দাবি না করে এমনকি নিউজ করতে পারবে না এবং ভিডিও ধারণ করতেও পারবে না। তার মোবাইলে থাকা সমস্ত ডিজিটাল প্রমাণাদি মুছে দিয়েছে। পরবর্তীতে তাকে বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনের জিআরপির ফাঁড়ি র কক্ষে নিয়ে তাহার প্রতিষ্ঠানের জিম্মায় তাকে হস্তান্তর করা হয়। পরবর্তীতে তিনি জানতে পারে যে স্টেশন মাস্টার এই স্বাক্ষর ও লেখা কাগজ ব্যবহার করে তার ক্ষতি করার চেষ্টা করছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ৬ই জুলাই ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ অফিসার ইনচার্জ রেলওয়ে থানা, রেলওয়ে জেলা, কমলাপুর ঢাকা বরাবর একটি অভিযোগ দায়ের করেন তদন্ত চলমান। বর্তমানে বিমানবন্দর স্টেশন পার্কিং এলাকায় আর এন বি সি আই সালাউদ্দিনের নেতৃত্বে সাব-ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ নাসির হোসেন এবং হাবিলদার জিয়া পার্কিং এলাকায় অবৈধভাবে ৫০ /৬০টির মতো দোকান পাট বসিয়ে প্রতিটি দোকান থেকে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করছে । দিদার সে চলছে মাদক বিক্রি এবং মোবাইল ছিনতাই। পদে পদে যাত্রীরা হচ্ছে হয়রানির শিকার। ইতিপূর্বে হাবিলদার জিয়াকে চাঁদাবাজির দায়ে ঢাকা কমলাপুর এবিতে বদলি করা হলেও কিছুদিনের মধ্যে ঘুষ লেনদেনের মাধ্যমে পুনরায় ঢাকা বিমানবন্দর স্টেশনে এসে জয়েন করে পুনরায় চাঁদাবাজি শুরু করেছে। জনাব মোঃ ফারুক হোসেন রেলওয়ের একাধিক কর্মকর্তা / কর্মচারীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করেছে তাহার সেই চিত্র তুলে ধরা হলো (১) গত ১১ই ফেব্রুয়ারি ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ দৈনিক বাংলার ডাক পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ প্রকাশ করা হয়, দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে রেলওয়ে কর্মকর্তা ঢাকা কমান্ডেন্ট মোঃ শফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে। (২) গত ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ মোঃ ফারুক হোসেন তার ফেসবুক আইডিতে একটা নিউজ পোস্ট করে, ঢাকা কমান্ডেন্ট মোঃ শফিকুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে, বাংলাদেশ রেলওয়েতে প্রথম নিয়োগ, ট্রেনিং থেকে পলায়ন সুদীর্ঘ ৫ বছর পর আওয়ামী এমপি, মন্ত্রীদের তদবিরে পুনরায় চাকরিতে বহাল। (৩) গত ২৭ এপ্রিল ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ দৈনিক আলোকিত সকাল পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ প্রকাশ করা হয়, দুর্নীতির তথ্য চাওয়াই রেলওয়ে ঢাকা কমান্ডেন্ট মিথ্যা সংবাদ প্রচার করে ফাঁসিয়ে দিল রেলপথ মন্ত্রণালয়ের দুই ছাত্র প্রতিনিধিকে। (৪) গত ৩ জুলাই আর এন বি নিরাপত্তা বাহিনীর সিপাহী মোঃ আমজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে, মোঃ ফারুক হোসেন তার ফেসবুক আইডি হতে একটি নিউজ পোস্ট করেন, আর এন বি সিপাহী বিনা ছুটিতে মাসের পর মাস ধরে গ্রামের বাড়িতে অবস্থান মাসোয়ারা নিচ্ছে সি আই সালাউদ্দিন, বানিয়েছে অবৈধ টি এ বিল। (৫) গত ২৭ মার্চ ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ মোঃ ফারুক হোসেন তাহার ফেসবুক আইডি থেকে আর এন বির সিপাহী মোহাম্মদ রুবেল হোসেনের বিরুদ্ধে একটা নিউজ পোস্ট করেন। বিনা টিকেটের তিনজন যাত্রীদের কে নিয়ে প্লাটফর্মে ঘুরাঘুরি এবং টেনে উঠতে সহযোগিতা করে। রুবেলকে তেজগাঁও সার্কেলে বদলি করার হলেও ঘুষ লেনদেন এর মাধ্যমে আবার বিমানবন্দরে এসে জয়েন করেছে । এখানে যারা বিমানবন্দর স্টেশনের দুই নম্বর গেইটে টিকিট চেকিং এর দায়িত্বে আছে যারা স্টেশনে পোটার পদে চাকরি করে এরা কোনো টি সি নয়, কিন্তু এরা কতিপয় স্টেশন মাস্টার সাহেব কে অবৈধ সুবিধা দিয়ে দীর্ঘদিন যাবত অবৈধভাবে টিকিট চেকের নামে যাত্রীদের থেকে অবৈধ সুবিধা নিচ্ছে। সরকারি রাজস্ব মেরে খাচ্ছে এবং যাত্রীদের হয়রানি করে যাচ্ছে। তদন্তে বিচার সহ টিকিট চেকের দায়িত্ব ওদেরকে কেন দিলো সেটাও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। পাশাপাশি বিমানবন্দর টি সিদেরকে সরকারি দায়িত্ব পালনে অনিয়ম দূর করার জন্য জবাব দিহিতার আওতায় আনা জরুরি। লিটন পয়েসম্যান গলায় ফিতা ঝুলিয়ে দুই নং প্ল্যাটফর্মে টিকিট চেক করতে দেখা যায়। ইয়াসিন পয়েসম্যান গলায় ফিতা ঝুলিয়ে দুই নং প্লাটফর্মে টিকিট চেক করতে দেখা যায়। বাংলাদেশ রেলওয়ে বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি, টিকিট কালোবাজারি রোধ এবং যাত্রীদের মান উন্নয়নের লক্ষ্যে আমাদের অনুসন্ধানী টিম দীর্ঘদিন ধরে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আমরা রেলওয়ে মন্ত্রণালয়কে নিয়মিতভাবে বিভিন্ন তথ্য দিয়ে সহায়তা করে আসছি, শুধু সমালোচনার জন্য নয় বরং একটি কার্যকর ও জনবান্ধব রেলওয়ে ব্যবস্থার জন্য। বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় তাদের অনুসন্ধানী টিমের কাছ থেকে যে সকল অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য পাওয়া গিয়েছে , তাহা নিম্নে তুলে ধরা হলো -সিলেট ভোলাগঞ্জ ট্রাজেডি গত ৫ই আগস্ট ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ বিগত সরকার পতনের পরে স্থানীয় প্রভাবশালীরা বাংলাদেশ রেলওয়ের একমাত্র বাঙ্কার ভোলাগঞ্জ সাদা পাথর এলাকা ধ্বংস করে অবাধে পাথর উত্তোলন করা শুরু করে যা এখনো চলমান এবং রেলওয়ের স্থাপনা চুরি করে যার আনুমানিক মূল্য দুইশত কোটি টাকা। জড়িত স্থানীয় প্রশাসন, বিজিবি, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ তাহার ডকুমেন্টস সংগৃহীত। ছাতক বন্যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত রেল পথ মেরামত প্রকল্পে ৩০ কোটি টাকা থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২৯৯ কোটি টাকা হয়েছে যা খুবই দুঃখজনক। ডকুমেন্টস সংগৃহীত। শ্রীমঙ্গল মুক্তিযোদ্ধা মার্কেট ২.৮৭ একর খেলার মাঠ ২.২০ একর ও সোনার বাংলা এরিয়াতে ৩ একর বাণিজ্যিক প্লট বেদখল যা পারকিং ও অন্যান্য কাজে ব্যবহার হচ্ছে, যেখানে কানুনগো সহ প্রধান সহকারী ও অন্যান্য কর্মচারীরা সহায়তা করে অনৈতিক সুবিধা নিচ্ছে প্রমাণ সংগৃহীত। জনাব মোঃ ফারুক হোসেন বলেন বাংলাদেশ রেলওয়ের বিভিন্ন ধরনের দুর্নীতি ও অনিয়মের তথ্য সংগ্রহের জন্য আমাদের টিম কাজ করে যাচ্ছে ।বিশেষ করে ঢাকা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনের রন্ধে রন্ধে দুর্নীতি এবং অনিয়ম তারই প্রতিবাদ করার জন্য স্টেশন মাস্টার শাহাদত হোসেন তার স্টাফদের সহযোগিতায় গণমাধ্যম কর্মীকে লাঞ্ছিত করেছে এর সুষ্ঠু বিচার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশের সমস্ত গণমাধ্যম কর্মীরা।