স্টাফ রিপোর্টার:
কামরুল হাসান
বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে যেখানে নৈতিক মূল্যবোধ, মানবিকতা, কর্মী সম্মান ও আদর্শিক নেতৃত্ব দিন দিন সংকুচিত হচ্ছে—সেখানে এক সৎ, নিষ্ঠাবান ও কর্মীবান্ধব নেতার নাম আজ এলাকাবাসীর আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছে। তিনি আর কেউ নয়, তিনি হলেন – মোঃ ফাহিম আহমেদ সদস্য সচিব-,ঢাকা মহানগর উত্তর জিয়া মঞ্চ।। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শকে বুকে ধারণ করে স্বচ্ছ ও মূল্যবোধভিত্তিক রাজনীতি চর্চার মাধ্যমে তিনি শুধু নেতা নন, বরং জননেতা তৈরির কারিগর হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।
জানাগেছে, দল ও দেশের স্বার্থকে সবসময় ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে রেখেই তিনি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন। অনিয়ম, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও তোষামোদী রাজনীতির বিরুদ্ধে তাঁর অবস্থান সবসময়ই কঠোর ও আপসহীন। মহানগর উত্তরে কোনো প্রকার দখলদারিত্ব, ক্ষমতার অপব্যবহার বা দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচারের ঘটনায় তিনি স্পষ্ট ও নির্ভীক কণ্ঠে প্রতিবাদ জানিয়ে আসছেন।
সাধারণ মানুষের মুখে গুঞ্জন,কর্মীবান্ধব নেতৃত্বে রাজনীতির অমূল্য সম্পদ মহানগর উত্তর জিয়া মঞ্চের সদস্য সচিব -জনাব ফাহিম আহমেদ। মহানগর উত্তরের
স্থানীয় নেতা–কর্মীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তিনি দলের প্রতিটি কর্মীকে সম্মান ও মূল্যায়ন দিয়ে থাকেন। সুখে–দুঃখে কর্মীদের পাশে থাকা, সমস্যায় সহায়তা করা এবং রাজনৈতিক শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করা—এগুলোই তাঁর নেতৃত্বের মূল বৈশিষ্ট্য। নতুন কর্মী সৃষ্টি, প্রশিক্ষণ, এবং আদর্শিক রাজনৈতি গড়ে তুলতে তাঁর ভূমিকার কারণে দলীয় কাঠামো আরও সুসংগঠিত হয়েছে বলে সাধারণ মানুষের মতপ্রকাশ পেয়েছে।
জিয়ার আদর্শে মূল্যবোধভিত্তিক রাজনীতির প্রচারক জননেতা ফাহিম, তিনি বিশ্বাস করেন—
“গণতন্ত্র, দেশপ্রেম, স্বাধীনতার চেতনা এবং জনগণের ক্ষমতায়ন—এগুলোই জিয়ার রাজনীতির মূল ভিত্তি।”
বর্তমান ও আগামী প্রজন্মকে সেই আদর্শে প্রস্তুত করার লক্ষ্যে তিনি নিয়মিতভাবে সচেতনমূলক আলোচনা, সভা ও রাজনৈতিক শিক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
জনকল্যাণে সমানভাবে নিবেদিত ,একজন আদর্শ জননেতা হিসেবে তিনি শুধু দলীয় কর্মকাণ্ডে নয়, সাধারণ মানুষের কল্যাণমূলক কার্যক্রমেও তাঁকে সর্বাগ্রে পাওয়া যায়। শিক্ষা সহায়তা, চিকিৎসা সহযোগিতা, সামাজিক উন্নয়ন, মানবিক সহায়তা ও সচেতনমূলক কার্যক্রমে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা এলাকাবাসীর প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
তিনি শুধু নিজে নেতা হওয়া নয়, বরং যোগ্য ও মূল্যবোধসম্পন্ন নেতাদের তৈরি করা—এটাই তাঁর রাজনীতির মূল দর্শন। সৎ, কর্মীবান্ধব, ত্যাগী ও আদর্শিক নেতৃত্বের মাধ্যমে তিনি আজ এলাকার মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। স্থানীয়দের প্রত্যাশা—এমন নীতিবান ও আদর্শিক রাজনীতিকের সংখ্যা যত বাড়বে, তত দ্রুতই বাংলাদেশের রাজনীতিতে স্বচ্ছতা, মূল্যবোধ ও গণতন্ত্রের ভিত্তি আরও মজবুত হবে।