স্টাফ রিপোর্টার: কামরুল হাসান –
ঢাকা মহানগর উত্তরের খিলক্ষেত অঞ্চলে বিএনপির রাজনীতি যখন বিভিন্ন পর্যায়ে চ্যালেঞ্জ, দুঃসময় ও দমন-পীড়নের মুখোমুখি হয়েছে, তখন সর্বাগ্রে দাঁড়িয়ে নেতৃত্ব ও সাহসের পরিচয় দিয়েছেন জননেতা এস এম ফজলুল হক। তাঁর আদর্শনিষ্ঠ ভূমিকা, কর্মীদের প্রতি মানবিক আচরণ এবং দলীয় সংকটে ত্যাগ স্বীকার তাঁকে এলাকার নেতাকর্মীদের নিকট এক অনন্য আস্থার প্রতীকে পরিণত করেছে।
দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির প্রতি তাঁর অবিচল আনুগত্য, সততা এবং সাহসিক নেতৃত্বের কারণে খিলক্ষেতের দলীয় নেতাকর্মীরা তাঁকে “দুর্দিনের রক্ষাকবচ” বলে অভিহিত করেন। সংগঠনের কঠিন সময়ে কর্মীদের পাশে থাকা, মামলা-হামলা-নির্যাতনের সময় সহযোগিতা করা এবং দলকে সুসংগঠিত রাখতে নিরলস পরিশ্রম করা তাঁর রাজনীতির মূল শক্তি।
নেতাকর্মীদের অভিযোগ—অনেকে সুবিধা ও অবস্থান পেতে সামনে আসে, কিন্তু বিরূপ পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে তাঁদের দেখা যায় না। ঠিক সেই সময় এস এম ফজলুল হক ব্যক্তিগত ঝুঁকি নিয়ে মাঠে থাকেন, সান্ত্বনা দেন, সহায়তা করেন এবং সংগঠনকে একত্র রাখেন। এ কারণেই তিনি খিলক্ষেত বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কাছে বিশ্বস্ত ও নিবেদিত প্রাণ নেতা হিসেবে বিশেষ মর্যাদায় অধিষ্ঠিত।
নেতাকর্মীদের মতে, এস এম ফজলুল হক শুধু রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রমেও অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। এলাকার সাধারণ মানুষের সমস্যার সমাধানে তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ ও মানবিক আচরণ তাঁকে “জননেতা” উপাধিতে আরও মর্যাদাশালী করে তুলেছে।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, খিলক্ষেতে বিএনপির সাংগঠনিক শক্তি সুসংহত করতে তিনি নিরলস কাজ করছেন। নতুন প্রজন্মের নেতাকর্মীদের উদ্বুদ্ধ করা, রাজনৈতিক শিক্ষায় উৎসাহিত করা এবং মূল্যবোধভিত্তিক রাজনীতি প্রতিষ্ঠায় তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি দলকে নতুন গতিতে এগিয়ে নিতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।
নিবেদিত কর্মী, সৎ নেতৃত্ব এবং সাহসী ভুমিকা—এই তিন গুণের সমন্বয়ে এস এম ফজলুল হক আজ খিলক্ষেত বিএনপির নেতৃত্বে একটি উজ্জ্বল ও নির্ভরযোগ্য নাম।