মরহুম আমানত মন্ডলের ছোট ছেলে , আব্দুল মতিন (৪৮) গ্রাম: নারায়নপুর , পোস্ট : জামজামি বাজার , থানা: আলমডাঙ্গা , জেলা : চুয়াডাঙ্গা এর বসত বাড়িতে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালিয়ে মারধর , টাকা-পয়সা এবং স্বর্ণালংকার লুট করেছে একই গ্রামের ১/বাবুল ( ৩৭) পিতা : মৃত তোরাব আলি ২/মো: দুলু পিতা : মৃত মনির উদ্দিন ৩/মো: ইজাজুল পিতা : মৃত গোলাপ মন্ডল ৪/ মো: দুখু মিয়া পিতা : মতিয়ার রহমান ৫/মো: মাসুদ পিতা : মো: দুলু ৬/ মো: টেংরা পিতা : মৃত তুরাপ আলি ৭/মো: তুতা, পিতা: মো: টেংরা ৮/মো: তিতু, পিতা: মোঃ পচা ৯/ ঋতু , পিতা: মোঃ বাবুল ১০/মোঃ পচা, পিতা : মৃত তুরাপ আলী। সর্ব সাং- গ্রাম: নারায়নপুর, পোস্ট: জামজামি বাজার, থানা: আলমডাঙ্গা, জেলা: চুয়াডাঙ্গা। এই হামলায় আহত ৪ থেকে ৫ জল তাদেরকে স্থানীয় মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে । সূত্রে বলছে , মরহুম আমানত মন্ডল এর রেকর্ড ভুক্ত সম্পত্তিতে আনুমানিক ৭০ বছর যাবৎ তাহার পরিবার পরিজন নিয়ে বেশ শান্তি প্রিয় ভাবেই বসবাস করে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুর পরে ওয়ারিশ সূত্রে জমির মালিকা দাবিদার মরহুমের স্ত্রী, ৫ ছেলে এবং ৩ মেয়ে । বসবাসরত জমির ভাগাভাগি নিয়ে ভাই-বোনদের মধ্যে মনোমালিন্য সৃষ্টি হলে সুযোগ বুঝে কোপ মারে পাশের বাড়ির এই সন্ত্রাসী গোষ্ঠী। কোর্টের আইন অমান্য করে মাঝেমধ্যেই মারামারি এবং জমি দখলের চেষ্টা করে। শান্তি-শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে গত ০৬/০৪/২০২৫ ইং তারিখ মহামান্য কোর্টে একটা মামলা দায়ের করা হয়।ফো: কা: বি: ১৪৫ ( ১) ধারা, পিটিশন নং ২৬১/২৫ খ্রিষ্টাব্দ বিজ্ঞ আদালত, স্মারক নং ৬৯৪ , মামলাটি দায়ের করা হয়। তদন্ত ভারের দায়িত্ব পড়ে ডিবি পুলিশের হাতে এমনকি তদন্ত রিপোর্ট দেওয়া হয় আব্দুল মতিনের পক্ষে। তারপরেও সন্ত্রাসীদের ভয়ে, আব্দুল মতিন তাহার পরিবার পরিজন নিয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে একাধিক বার আলমডাঙ্গা থানায় অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার পাওয়া যায়নি। উপরন্তু ন্যায় বিচারের পরিবর্তে স্থানীয় থানার উপপরিদর্শক সঞ্জিত
ও জামজামি পুলিশ ফাঁড়ির এস আই রোকন মামলার বাঁদিকে নানাভাবে হয়রানী করেছে। নিরুপায় হয়ে, ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আব্দুল মতিন , গত ১১/১১/২০২৫ ইং তারিখে সিনিয়র সচিব, জননিরাপত্তা বিভাগ , স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা বরাবর একটি অভিযোগ দায়ের করেন । এই সন্ত্রাসী গ্রুপের জোগান দাতা, হুকুম দাতা হলো একই গ্রামের মরহুম গোলাপ মন্ডলের ছেলে মোঃ মতিয়ার রহমান (৬০)এবং নারায়ন পুরের আরো কয়েকজন দুষ্কৃতকারী, লম্পট, ভাড়াটিয়া কিলার তাদেরকেও বিভিন্ন সময়ে এই ডাকাত গোষ্ঠীর সাথে এক হয়ে গ্রামের অন্য গোষ্ঠীর লোক জন দের সাথে মারামারি করতে দেখা যায়। তাদের বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলাও আছে একাধিক সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী সরকারের আমলে দুর্নীতিবাজ নেতাদের ছত্রছায়ায় থেকে আশপাশ এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে নিরীহ মানুষকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করছে এই দুর্বৃত্তরা। বর্তমানে প্রশাসনিক সহযোগিতায় বিএনপি নেতাকর্মীদের সাথে আঁতাত করে জমি দখল, পান চুরি, ছাগল চুরি, গরু চুরি, যমুনার মাঠে ডাকাতি, ঘোষ বিলার ব্রিজে ডাকাতি, ছিনতাই প্রতিনিয়ত চালিয়ে যাচ্ছে। উক্ত মামলার আসামি গন, মামলার বাঁদিকে হুমকি দিচ্ছে, মামলা না উঠালে জানে মেরে ফেলবো। এস আয় রোকন, আব্দুল মতিন কে চাপ প্রয়োগ করছে থানায় এসে আসামিদের সাথে আপোস হওয়ার জন্য। এতে করে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা বিদ্যমান বেআইনি, জবরদস্তি মূলক কর্মকাণ্ডের সমাধান হচ্ছে না।এলাকাবাসী উক্ত জবর দখলকারী, সন্ত্রাসী বাহিনীর বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।