হোসনে আরা হীরা (স্টাফ রিপোর্টার)
(১৫/১১/২০২৫) ঢাকা: ফুটবলের উত্তেজনা আর তারুণ্যের উদ্দীপনায় মুখরিত ছিল রাজধানী ঢাকার বাড্ডার মাঠ। বাড্ডা, স্বদেশ প্রপার্টিস সানভ্যালি চায়না মাঠে সমাপ্ত হলো ‘ঢাকা ইন্টার ইউনিভার্সিটি গোল্ড কাপ’-এর এক রুদ্ধশ্বাস আসর। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ফাইনাল ম্যাচে দুর্দান্ত জয়ের মাধ্যমে ফার্স্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (FIU) শিরোপা ছিনিয়ে নিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
শিরোপা FIU-এর, রানার-আপ SMUCT ও NSU!
টুর্নামেন্টের ফাইনালটি ছিল টানটান উত্তেজনার। শ্বাসরুদ্ধকর লড়াই শেষে শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করে FIU। এই টুর্নামেন্টের ফল অনুযায়ী, দলগুলোর অবস্থান নিম্নরূপ
চ্যাম্পিয়ন দল | ফার্স্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (FIU)
১ম রানার-আপ এসএমইউসিটি (SMUCT)
২য় রানার-আপ | নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি (NSU)
বাড্ডা, স্বদেশ প্রপার্টিস সানভ্যালি চায়না মাঠ |
> বিজয়ের উল্লাস! ট্রফি হাতে ফার্স্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির চ্যাম্পিয়ন দল। বাড্ডা মাঠের এই জয় কেবল ফুটবলের নয়, তারুণ্যের ঐক্যের প্রতীক।
> দুরন্ত গতির লড়াই! টুর্নামেন্টের প্লে-অফ রাউন্ডের একটি মুহূর্ত, যেখানে ফুটে উঠেছে ফুটবলের আসল প্রতিদ্বন্দ্বিতা।
প্রোগ্রাম আয়োজক সায়োন আহমেদ রাফার বিশেষ বক্তব্য: “তরুণ সমাজই আগামী দিনের আইডল”
টুর্নামেন্টের সফল প্রোগ্রাম আয়োজক সায়োন আহমেদ রাফা (Saion Ahmed Rafa) এই সফল আয়োজন শেষে তরুণ সমাজকে নিয়ে তাঁর উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
সায়োন আহমেদ রাফা বলেন:
আমরা বিশ্বাস করি, খেলাধুলার মাধ্যমে এই তরুণ সমাজ আগামী দিনের আইডল হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করবে, ইনশাআল্লাহ।
তাদের চোখে আমি যে উদ্দীপনা দেখেছি, তা শুধু খেলার প্রতি নয়, দেশ ও সমাজের প্রতি তাদের দায়িত্ববোধেরও প্রতিফলন।”
খেলাধুলা শুধু বিনোদন নয়, এটি তরুণদেরকে ডিসিপ্লিন শেখায় এবং তাদের মধ্যে নেতৃত্বের গুণাবলী তৈরি করে, যা ভবিষ্যৎ সমাজের জন্য অত্যন্ত জরুরি।”
আমরা চাই এই তারুণ্যের শক্তি মাঠের বাইরেও যেনো সমাজ গঠনে কাজে লাগে।
ডাঃ এম এ কাইয়ুমের মূল্যবান বার্তা: “এই যুবসমাজই দেশের ভবিষ্যৎ।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ডাঃ এম এ কাইয়ুম। তিনি বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারী সকলকে অভিনন্দন জানিয়ে যুবসমাজের উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন।
ডাঃএম এ কাইয়ুমের ভবিষ্যৎ স্বপ্ন ও পরিকল্পনা:
ডাঃ এম এ কাইয়ুম তাঁর বক্তব্যে শিক্ষা ও খেলার গুরুত্ব তুলে ধরে একটি সুন্দর, সুস্থ ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার স্বপ্নের কথা বলেন।
> শিক্ষা একজন মানুষকে আলোকিত করে। শিক্ষার মান উন্নয়ন ছাড়া জাতির প্রকৃত অগ্রগতি সম্ভব নয়। রাজনীতি মানে কেবল ক্ষমতা নয়, মানুষের পাশে থাকা এবং তাদের কল্যাণে কাজ করা।”
তিনি যুবসমাজের প্রতি বিশেষভাবে আহ্বান জানান:
শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা: খেলাধুলা তরুণদের মধ্যে শৃঙ্খলা, দলগত কাজ এবং সুস্থ প্রতিযোগিতা মনোভাব তৈরি করে। এই যুবসমাজই দেশের ভবিষ্যৎ, তাই তাদের শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকা জরুরি।”
সচেতন নাগরিক গঠন: “তরুণদেরকে পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সামাজিক কাজে যুক্ত থাকতে হবে, যেনো তারা সুস্থ ও সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।”
মাদকমুক্ত সমাজ: আমাদের সম্মিলিত লক্ষ্য হলো, আগামীতে তরুণ সমাজ হবে সম্পূর্ণরূপে মাদকমুক্ত। খেলাধুলা সেই পথে এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।”
বাড্ডা, স্বদেশ প্রপার্টিস সানভ্যালি চায়না মাঠের এই সফল আয়োজন প্রমাণ করল যে, বাংলাদেশের তরুণ সমাজ খেলাধুলা এবং শিক্ষার মাধ্যমে দেশকে এক উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিকে নিয়ে যেতে প্রস্তুত।