প্রতিটি স্বাস্থ্য পরীক্ষাও করা হয় সরকারি হাসপাতালের চেয়েও কম মূল্যে। গরিব ভর্তি রোগীদেরও দেওয়া হয় বিনামূল্যে চিকিৎসার সুযোগ।
এই হাসপাতালে রোগীদের জন্য রাখা হয়েছে ১৫ শতাংশ ছাড়ে ওষুধ কেনার সুযোগ। বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানি থেকে চিকিৎসকদের দেওয়া স্যাম্পল ওষুধ কালেকশন করে সেগুলো রোগীদের বিনামূল্যে বিতরণ করেন তারা। আর অর্থনৈতিকভাবে দুর্বলদের জন্যতো এখানে সবই ফ্রি। তাইতো রোগীদের কাছে এই হাসপাতালের পরিচিতি গরিবের হাসপাতাল নামে।
নগরীর অনেক হাসপাতালে যখন টাকা দিয়েও মেলে না কিডনি রোগীদের ডায়ালাইসিসের শিডিউল, সেখানে এই হাসপাতালে ডায়ালাইসিস হচ্ছে স্বল্প মূল্যে বা বিনামূল্যে। এখনও কেউ সক্ষমতার বিবেচনায় ২৫০০ থেকে ১৫০০ টাকায় ডায়ালাইসিস করাতে পারেন কিডনি রোগীরা। আর চিকিৎসার পাশাপাশি অস্বচ্ছ্বল ক্যান্সারের রোগীদের দেওয়া হয় অর্থ সহায়তাও।
রাজধানীর দারুসসালাম এলাকায় গরিব ও অসহায় রোগীদের জন্য উন্নত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে এই হাসপাতাল গড়েছে মানবিক চিকিৎসকদের সংগঠন হিউম্যান এইড বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন। মূলত ২০০৯ সালে রক্তদান কর্মসূচির মাধ্যমে এই ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন কিডনি ফাউন্ডেশন হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. শেখ মইনুল খোকন। পরে ধীরে ধীরে সম্প্রসারণ করেন বিভিন্ন চিকিৎসা উদ্যোগ। যার ধারাবাহিকতায় ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে হিউম্যান এইড রিসার্চ ল্যাব এন্ড হসপিটাল। ২০১৯ সালে করোনা ভাইরাসের শুরুর দিকে ঝুঁকি নিয়ে করোনা রোগীদের চিকিৎসা দিয়ে প্রথম আলোচনায় আসে প্রতিষ্ঠানটি।**