নিজস্ব প্রতিবেদক
বিএন পি নামধারী পাতি নেতা মোঃ জামাল হোসেন ২০১৯ সালে অনুমোদিত বিমানবন্দর থানা ইউনিটের সভাপতি বলে দাবি করে আসছে। তাহার নেতৃত্বে একটি কুচক্রী মহল বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশনে কার পার্কিং এলাকায় গড়ে তুলেছে হকার সিন্ডিকেট। জামালের ভাই বেলাল ও তার বোন শানু কার পার্কিংয়ে দোকান বসানো নিয়ে বিভিন্ন হকারের সাথে মাঝে মধ্যেই ধস্তাধস্তি, মারামারি করতে দেখা যায় কারণ তাদের ভাই বিএনপি’র বড় নেতা। পার্কিংয়ে তাহার মামা,ভাগ্নে, চাচাতো ভাই, লোকজনের অভাব নাই, জামাল ডাক দিলেই হকাররা দৌড়ে এসে যাকে তাকে ধরে মারপিট শুরু করে। পার্কিংয়ে গেঞ্জি ক্রয় করার সময় কথা কাটা কাটির একপর্যায়ে ট্রেনে ভ্রমণ পিয়াসু যাত্রীকে মারধর করে মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ও আছে এই জামালের লোকজনের বিরুদ্ধে। জামালের নিজস্ব তিনটি দোকান, বেল্লালের দুইটি দোকান, শানুর দুইটি দোকান, দোকানদারদের কাছ থেকে চাঁদা উঠানোর দায়িত্ব পেয়েছে সেক্সুয়াল ওষুধের ডাক্তার সুজন ও হবি। জামালের দোকান বাদেও চাঁদাবাজির ভাগের একটা অংশ জামালের পকেটে ঢুকে প্রতিদিন। জানা যায়, জামাল দোকানদারদের কাছ থেকে দোকান বসানোর জন্যে অগ্রিম টাকা নিয়ে ১৫ থেকে ২০ দিন দোকানদারি করার পরে তাদেরকে উঠিয়ে দিয়ে আবার নতুন দোকানদারদের কাছ থেকে অগ্রিম টাকা নিয়ে দোকান বসিয়ে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।এই গ্রুপকে সহযোগিতা করছে রেলওয়ের কিছু অসাধু কর্মচারী , কর্মকর্তারা হাতিয়ে নিচ্ছে, প্রতিদিন লাখ টাকার উপরে। বিমানবন্দর এরিয়ায় বেড়ে গিয়েছে মাদক বিক্রেতা ছিনতাই, চাঁদাবাজি। হর হামেশাই চোখে পড়ে দুর্বৃত্তদের হাতে প্রতারিত হওয়া পথচারী লোকজনদের আর্তনাদ। প্রশাসন আজ নিরব। সূত্রে বলছে,ফ্যাসিস্ট সরকারের ঢাকা ১৮ আসনের ৪৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোহাম্মদ নাঈম হোসেনের ছত্রছায়ায় থেকে এই জামাল, বিমানবন্দর কমিউনিটি পুলিশের শাহীন ( সভাপতি) , ইয়াহিয়া (সেক্রেটারি), শোভা (সদস্য), শোভার স্বামী আক্তার, এরা কাউন্সিলর নাঈমের নির্দেশেই বিমানবন্দর রেলওয়ে কার পার্কিংয়ে এক সময় চাঁদাবাজি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। গরিব হকারদের কে করেছে নির্যাতন। একাধিক সূত্রে জানা যায় , আওয়ামী লীগের বিভিন্ন মিছিল মিটিংয়ে জামাল সহ এই গ্রুপের সদস্যরা একাধিকবার অংশগ্রহণ করেছে। এখন বর্তমানে তাহারা বিএনপির নাম ভাঙিয়ে বিমানবন্দর এলাকায় চাঁদাবাজি করে যাচ্ছে এখানো। বিএনপি’র সিনিয়র নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে এলাকাবাসী।