1. alam9168@gmail.com : Jahangir Alam : Jahangir Alam
  2. mdsharif.hussain7@gmail.com : https://moderntvbd.com/ : https://moderntvbd.com/
  3. sharif.patwary2025@gmail.com : sumi islam : sumi islam
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:৪৭ অপরাহ্ন

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও ত্রিপুরায় : বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলোতে পাঁচ বিমানঘাঁটি সচল করছে ভারত

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৯ Time View

 

স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলোতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার পাঁচটি পরিত্যক্ত এয়ারস্ট্রিপ বা বিমানঘাঁটি পুনরুজ্জীবিত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে ভারত। পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও ত্রিপুরায় অবস্থিত এই ঘাঁটিগুলো সংস্কারের মূল লক্ষ্য হলো ভারতের অত্যন্ত স্পর্শকাতর ‘শিলিগুড়ি করিডর’ বা ‘চিকেনস নেক’-এর সুরক্ষা আরও জোরদার করা।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। এছাড়া প্রতিবেদনটিতে এমন তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এমন এক সময়ে এই উদ্যোগ নেয়া হয়েছে যখন বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক ইতিহাসের সর্বনিম্ন স্তরে অবস্থান করছে। মূলত উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের একমাত্র স্থলসংযোগ এই সরু করিডরটির নিরাপত্তা নিয়ে নয়াদিল্লি বর্তমানে কোনো ধরনের ঝুঁকি নিতে রাজি নয়। ভারতের এই তৎপরতার পেছনে বাংলাদেশের লালমনিরহাট বিমানঘাঁটি পুনর্নির্মাণের উদ্যোগকে একটি বড় কারণ হিসেবে দেখছেন প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকরা। লালমনিরহাট বিমানঘাঁটিটি ভারতের শিলিগুড়ি করিডরের খুব কাছাকাছি অবস্থিত হওয়ায় ভারতের সামরিক মহল উদ্বিগ্ন হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে যে এই বিমানঘাঁটি (লালমনিরহাট) শুধুমাত্র নিজস্ব জাতীয় প্রয়োজনে ব্যবহৃত হবে। কিন্তু ভারতীয় সূত্রের দাবি অনুযায়ী, সীমান্ত এলাকায় যেকোনো আকস্মিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় ভারতও তার সামরিক প্রস্তুতি ঢেলে সাজাচ্ছে। এরই মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ ও বিহারের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে ‘লাচিত বরফুকন’ নামে তিনটি নতুন সেনাঘাঁটি স্থাপন করা হয়েছে এবং এই পাঁচটি এয়ারস্ট্রিপ সচল করার প্রক্রিয়া সেই সামরিক প্রস্তুতিরই একটি অংশ। পরিকল্পনা অনুযায়ী যেসব এয়ারস্ট্রিপ সংস্কার করা হবে সেগুলো হলো—পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ির আমবাড়ি ও পাঙ্গা, দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট, মালদহের ঝালঝালিয়া এবং আসামের ধুবড়ি। এর আগে কোচবিহার এবং আসামের রূপসী বিমানবন্দর দুটি সফলভাবে সচল করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে এয়ারপোর্টস অথোরিটি অব ইন্ডিয়া (এএআই) পশ্চিমবঙ্গের বিমানক্ষেত্রগুলোর দায়িত্ব রাজ্য সরকারের হাতে তুলে দিয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ভারত চায় এই রানওয়েগুলো যেন সর্বদা জরুরি অপারেশনাল কার্যক্রমের জন্য প্রস্তুত থাকে। বিশেষ করে সংকটের সময় দ্রুত সেনা মোতায়েন বা রসদ সরবরাহের ক্ষেত্রে এই ঘাঁটিগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তবে এসব পরিত্যক্ত এয়ারস্ট্রিপ পুনরায় ব্যবহারযোগ্য করে তোলার ক্ষেত্রে বেশ কিছু কারিগরি চ্যালেঞ্জ রয়েছে বলে প্রতিরক্ষা সূত্রগুলো জানিয়েছে।

জানা গেছে, দীর্ঘ কয়েক দশক অব্যবহৃত থাকায় অনেকগুলো বিমানক্ষেত্র এখন ঘন জঙ্গলে ঢাকা পড়েছে, রানওয়েগুলো ভেঙে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে রানওয়ের চারপাশ ঘিরে জনবসতি গড়ে উঠেছে। যারবফলে বড় ধরনের যুদ্ধবিমানের অপারেশনের জন্য এগুলো বর্তমানে উপযুক্ত না হলেও সামান্য মেরামতের মাধ্যমে জরুরি পরিস্থিতিতে হেলিকপ্টার বা ছোট সামরিক বিমান নামানোর উপযোগী করে তোলার চেষ্টা চলছে।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন বলছে, সীমান্তের ওপারে ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে ভারত তার উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে সুরক্ষিত রাখতে এই কৌশলগত প্রতিরক্ষা পরিকাঠামো গড়ায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © moderntvbd.com
Theme Customization By Sky Host BD